দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দ করা বালুভর্তি দুটি ট্রলার অস্ত্রের মুখে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে উপজেলা প্রশাসন।
অভিযুক্ত মোখলেছুর রহমান (৪০) উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় বালু ব্যবসায়ী।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাউদ্দিন বিশ্বাস বুধবার সন্ধ্যায় বলেন, জব্দ করা বালুভর্তি দুটি ট্রলার অস্ত্রের মুখে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের বটতলা বালুঘাট এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বালুভর্তি দুটি ট্রলার জব্দ করা হয়। অভিযানে ঈশ্বরগঞ্জ থানা-পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
পরে ট্রলার দুটি নিলামের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণের জন্য রাজিবপুর ইউনিয়নের চর রামমোহন এলাকার লাঠিয়ামারিতে স্থানীয় বাসিন্দা উবায়দুর রহমানের জিম্মায় রাখা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, ওই দিন বিকেলে মোখলেছুর রহমানের নেতৃত্বে ৪০ থেকে ৫০ জন দেশীয় অস্ত্রধারী সেখানে গিয়ে উবায়দুর রহমানকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জিম্মায় রাখা বালুভর্তি ট্রলার দুটি নিয়ে যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত। প্রশাসনের জব্দ করা বালু অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনক।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোখলেছুর রহমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাশেদ মোশাররফ বলেন, প্রশাসন ট্রলার দুটি স্থানীয় এক ব্যক্তির জিম্মায় রেখে যাওয়ার পর ঘটনাটি ঘটেছে। পরবর্তী ব্যবস্থা উপজেলা প্রশাসন নেবে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, এ ঘটনায় আমরা নিয়মিত মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি। জড়িতদের শনাক্ত করার কাজ চলছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। পরে ইউএনও কার্যালয়ের অফিস সহকারী (কাম-কম্পিউটার) মোহাম্মদ মাজহারুল করিম জানান, অসুস্থ থাকায় ইউএনও ফোন ধরতে পারেননি।
যে আই